আগামী বছরের জুলাই পর্যন্ত এ অর্থ ব্যয় করা হবে। ব্যাংকটির দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করবে এ উদ্যোগ। পাশাপাশি সৃষ্টি হবে হাজার হাজার নতুন কর্মসংস্থান। খবর রয়টার্স।
‘ক্রিটিক্যাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ইনিশিয়েটিভ’ নামে এ কর্মসূচি চালু করেছে ব্যাংক অব আমেরিকা। এতে ঋণ দেয়া, বিনিয়োগ, পুঁজিবাজারভিত্তিক সেবা ও ব্যাংকিং এবং পরামর্শক সেবা থাকবে। যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের পর পরই উদ্যোগটি ঘোষণা করা হয়।
ব্যাংকটির এ পরিকল্পনায় তিন ধরনের অবকাঠামোকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ডিজিটাল অবকাঠামো, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো এবং মূল অবকাঠামো। ডেটা সেন্টার ও কম্পিউটিং অবকাঠামো থাকবে ডিজিটাল খাতের আওতায়। নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জ্বালানি সংরক্ষণ প্রকল্পে অর্থায়ন করা হবে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোর অংশ হিসেবে। পরিবহন ও প্রাকৃতিক গ্যাস অবকাঠামো থাকবে মূল অবকাঠামো খাতে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ডেটা সেন্টারের বিস্তার দ্রুত বাড়ছে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উত্তোলন ও জ্বালানি অবকাঠামো আধুনিকায়নের কাজও চলছে। এসব খাতে বাড়তে থাকা বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগাতেই বড় মার্কিন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সক্রিয় হচ্ছে।
ব্যাংক অব আমেরিকার ঘোষণার কয়েক দিন আগেই মরগ্যান স্ট্যানলি প্রযুক্তি ও অবকাঠামো প্রকল্পে আগামী এক দশকে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার কোটি ডলার অর্থায়নে সহায়তার পরিকল্পনা জানায়। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অবকাঠামো উন্নয়নে বড় ব্যাংকগুলোর ভূমিকা আরো বাড়ছে।
ব্যাংক অব আমেরিকার বৈশ্বিক ক্যাপিটাল সলিউশন বিভাগের কো-হেড কারেন ফ্যাং বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তে থাকা অবকাঠামোগত চাহিদা পূরণে বড় পরিসরে মূলধন জোগাড় করতে হবে। এজন্য বিভিন্ন খাতকে একসঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে অর্থায়ন ব্যবস্থা তৈরি করা প্রয়োজন।’
ব্যাংকটি জানায়, ২৫ হাজার কোটি ডলারের হিসাবটি ১৮ মাসের একটি সময়কাল ধরে করা হয়েছে। সময় শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে, চলবে ২০২৭ সালের ৪ জুলাই পর্যন্ত।